প্রথমবারের মতো টটেনহ্যাম চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে।

42

কালের সমাচার ডেস্ক।

প্রথম লিগে হারের পর দ্বিতীয় লিগে অবিশ্বাস্য জয় নিয়ে ফাইনালে উঠেছে ইংলিশ ক্লাব টটেনহ্যাম হটস্পার্স।

দুই গোলে পিছিয়ে পরেও টটেনহ্যাম শেষ পর্যন্ত লুকাস মৌরার হ্যাটট্রিকে ৩-২ গোলের জয় নিয়ে, প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠলো অ্যাওয়ে গোলে এগিয়ে থাকায়।

যা ইউরোপিয়ান মেজর কোন টুর্ণামেন্টের ৩য় অল ইংলিশ ফাইনাল।

লুকাস মৌরা আয়াক্স ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে যখন স্বাগতিকদের জালে নিজের হ্যাটট্রিক গোল ঠুকে দিয়ে ছুটে যাচ্ছেন,

তখন স্বাগতিক খেলোয়াড় আর দর্শকদের কান্নার রোল নেদারল্যান্ডের ইয়োহান ক্রুইফ স্টেডিয়ামে।

এগিয়ে থাকা ম্যাচে এভাবে হারের কথা কেউ ভাবতেও পারেনি।

অথচ আয়াক্স ম্যাচের ৫ মিনিটেই নিজেদের ৭ম ফাইনাল আর ৫ম ট্রফির দিকে বেশ দাপটের সাথেই এগিয়ে যায়।

ডাচ ডিফেন্ডার মাথিস ডি লাইট কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে মাথা ছুঁইয়ে দলকে এগিয়ে নেন।

৩৫ মিনিটে কাডিচের বাড়ানো বলে জিয়েচের শট লরিসের নাগালের বাইরে থাকায় অনেক ডাচ সমর্থক প্রথমার্ধ শেষেই হয়তো লিভারপুলের সাথে ফাইনালের টিকেট কাটতে থাকেন।

আগের দিন রাতে শুরু থেকেই বার্সেলোনার বিপক্ষে এক চেটিয়া ছিলো লিভারপুল। কিন্তু টটেনহ্যাম খেলা দেখায় শেষ ৪৫ মিনিট।

ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার লুকাস মৌরা বিরতির পর শুরু করেন নিজের ধ্বংসযজ্ঞ। ৫৫ ডেলে আলীর সাথে বোঝা পড়ায় আয়াক্স ডিফেন্স বোকা বানান।

দুই মিনিটের ব্যবধানে স্বাগতিক দর্শকরা আবারো নিশ্চুপ।

গোলরক্ষক ওনানা’র সাথে ডিফেন্ডার শোখনের ভুল বোঝাবুঝিতে লুকাস মৌরা সুযোগের দারুণ ব্যবহার করেন।

ডি বক্সে আয়াক্সের ৮ জন খেলোয়াড় থাকা স্বত্বেও কেউই তাকে আটকাতে পারেননি।

এরপরই আয়াক্সের টনক নড়ে। ম্যাচে ফিরতে বেশ কয়েকবার স্পার্সদের রক্ষণে হানা দিলেও ডাচ ক্লাবটির দিকে ভাগ্য আর ফিরে তাকায়নি।

১৯৭২ সালের উয়েফা কাপ আর ২০০৮ সালের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর এটি এখন যেকোন ইউরোপিয়ান মেজর টুর্ণামেন্টের ৩য় অল ইংলিশ ফাইনাল।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.