রান একটু বেশি হলেও আটকালো না বাংলাদেশের জয়।

381

কালের সমাচার ডেস্ক।

আগেই ফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশের ‘নিয়মরক্ষা’র ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামে ২৯৩ রানের লক্ষ্যে।

এবং বড় টার্গেট তাড়া করে জয় আসে টাইগারদের।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে আয়ারল্যান্ড শুরুটা ভালোই করেছিল। দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন পল স্টার্লিং আর জেমস ম্যাককালাম।

ক্যাপ্টেন মাশরাফি বোলিং ওপেন করান রুবেল হোসেন এবং আবু জায়েদকে দিয়ে। অবশেষে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছেন অভিজ্ঞ রুবেল।

দলীয় ৪৪ রানে রুবেলের বলে জেমস ম্যাককালাম (৫) ধরা পড়েন লিটন দাসের হাতে।

অ্যান্ড্রু বালবার্নি (২০) ফিরেন মুশফিকের দারুণ ক্যাচে।

ফ্লপ আবু জায়েদ নিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম উইকেট পেয়ে যান।

দুইবার জীবন পাওয়া স্টার্লিং ১২৭ বলে তুলে নেন সেঞ্চুরি।

আবু জায়েদের বলে লিটনের তালুবন্দিতে থামে ১৪১ বলে ৮ চার এবং ৪ ছক্কায় গড়া তার ১৩০ রানের ইনিংস।

২৫ বছর বয়সী এই পেসার নেন আরও তিন উইকেট। তার শিকার, কেভিন ও’ব্রায়েন (৩), উইলসন (১২) এবং উলিয়াম পোর্টারফিল্ড।

১০৬ বলে ৭ চার ২ ছক্কায় ৯৪ করা পোর্টারফিল্ডের আউটটি অবশ্যই দুঃখজনক ছিল। জায়েদ নিয়েছেন ৯ ওভারে ৫৮ রানে ৫ উইকেট।

২ উইকেট নিয়েছেন সাইফউদ্দিন। আয়ারল্যান্দের ইনিংস শেষ হয় ২৯২ রানে।

২৯৩ রানের টার্গেটে মাঠে নেমে তামিম ইকবাল আর লিটন দাস ব্যাটিংয়ে উপহারদেন ১১৭ রানের ওপেনিং জুটি।

তামিম ক্যারিয়ারের ৪৬তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। অন্যাপ্রান্তে ৪৭ বলে লিটন করে ফেলেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি।

এমন সময় ছন্দপতন। রেনকিনের বলে বোল্ড হন ৫৩ বলে ৯ বাউন্ডারিতে ৫৭ রান করা দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল।

আইরিশদের বিপক্ষে লিটন খেলেছেন ৭৬ রানের কার্যকরী ইনিংস।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফসেঞ্চুরি করে তিনি ফিরেছেন ব্যারি ম্যাকার্থির বলে বোল্ড হয়ে।

৬৭ বলে ৯ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৭৬ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ফাইনালের সঙ্গে বিশ্বকাপের একাদশে থাকার জোর দাবি জানান লিটন।

মুশফিক থেমেছেন গ্যারি উইলসনের দুর্দান্ত ক্যাচে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আগের খেলায় মুশফিকের ব্যাট থেকে এসেছিল ম্যাচ জেতানো ৬৩ রানের ইনিংস।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষেও তার শুরুটা দারুণ ছিল। ৩৩ বলের ইনিংসে তিনি ৫টি বাউন্ডারি করেছেন।

পুল করতে গিয়েই টান লাগায় সাইড স্ট্রেইনে সমস্যা হচ্ছিল সাকিবের।

যদিও মাঠে চিকিৎসা নেওয়ার পরও খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি তবে ঝুঁকি নিতে চায়নি বাংলাদেশ,

তাই ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৪২তম হাফসেঞ্চুরি পূরণ করা পর সাকিব রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরেছেন প্যাভিলিয়নে।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.