আটক অপহরণ চক্রের দুই সদস্য।

33

কালের সমাচার ডেস্ক।

নেত্রকোনায় অপহৃত রুবেল মিয়াকে মুক্তিপণ চাওয়ার ৩২ ঘণ্টা পর, গাজীপুর চান্দিনা চৌরাস্তা থেকে নেত্রকোনা পুলিশ উদ্ধার করেছে।

দুইজনকে এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে। ১২ জুন, বুধবার দুপুর ২টায় নেত্রকোনায় ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুল আলম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুল আলম জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরে যাওয়ার জন্য রুবেল মিয়া ঢাকার একটি ট্রেনিং সেন্টারে তিন মাসের একটি প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।

রবিবার বিকালে, ঈদের ছুটি শেষে বাসযোগে ঢাকায় ফিরছিলেন। বাসের মধ্যেই তার পরিচয় হয় অপহরণ চক্রের দুই মেয়ের সঙ্গে।

তারা বিভিন্ন কথায় তার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। সন্ধ্যায় বাসটি গাজীপুর চান্দিনার চৌরাস্তায় পৌঁছালে তারা রুবেলকে প্রস্তাব দেন তাদের বাসায় থাকাতে এবং পরদিন ঢাকায় যেতে বলে।

বাস থেকে নামিয়ে তাকে একটি বাসায় নিয়ে যায়। রুবেলকে সেখানে নিয়ে আটকিয়ে মারধর করে এবং তার বাবার কাছে, এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

মুক্তিপণ চাওয়ায় সোমবার সকালে, রুবেলের বাবা আব্দুল্লাহ নেত্রকোনা পুলিশ সুপারের সহযোগিতা চান।

ডিবি পুলিশের একটি টিম পুলিশ সুপারের নির্দেশে মুক্তিপণের টাকা নিয়ে, মঙ্গলবার চান্দিনা চৌরাস্তায় পৌঁছে।

তারা মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অপহরণ চক্রের দুই সদস্যকে আটক করে।

পুলিশ সুপার জানান, আটকৃতরা- ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার ছয়আনী নামাপাড়া গ্রামের মৃত সফির উদ্দিনের ছেলে পাবেল মিয়া (২৫)

এবং পাগলা উপজেলার ডিক্রীভূমি গ্রামের মৃত বুলবুল শেখের ছেলে সুজন উদ্দিন অপু (২৫)।

তাদের থেকে পাওয়া তথ্যে চৌরাস্তার ঈদগাহ্ মাঠের পাশের একটি বাসা থেকে অপহৃত রুবেল মিয়াকে রাত ৩টার দিকে উদ্ধার করে।

অপহরণ চক্রের সাথে জড়িত দুই মেয়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।

নেত্রকোনার গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি শাহ্ নূর-এ-আলম জানান,

‘এ ব্যাপারে অপহরণ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অপহরণ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের আটকের চেষ্টা চলছে’।

নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটী ইউনিয়নের হাপানিয়া গ্রামের কৃষক আব্দুল্লাহর পুত্র রুবেল মিয়া।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.