নবজাতক চুরির দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

36

কালের সমাচার ডেস্ক।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) থেকে নবজাতক চুরি অভিযোগে দায়ের করা মানব পাচার দমন আইনের মামলায় আদালত দুইজনকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন।

একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে আসামিদের জরিমানা করা হয়েছে এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

১১ জুন মঙ্গলবার, এ রায় দেন ঢাকার তৃতীয় মানব পাচার দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা– ঝর্ণা বেগম (পলাতক) ও মো. মানিক। রায় ঘোষণা শেষে ট্রাইব্যুনাল সাজা পরোয়ানা ইস্যু করেন।

এদিকে, অন্য দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ার কারনে বিচারক তাদের বেকসুর খালাস দেন।

তারা– ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দারোয়ান, আব্দুল মতিন এবং আয়া শিলা।

আদালত সূত্র জানায়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) থেকে ২০০৫ সালে নবজাতক চুরি হয়।

এ ঘটনায় নবজাতকের বাবা মনিরুল ইসলাম সবুজবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন আসামি ঝর্ণা, মানিক, শিলা এবং মতিনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে।

বিচারক তাদের অব্যহতিও দেন। কিন্তু পরবর্তীতে পুলিশ নবজাতকসহ এক নারীকে খিলগাঁও থানার রামপুরা ওয়াপদা রোডের একটি বাড়ি থেকে আটক করে। ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে পুলিশকে জানায়, শিশুটি তার নিজের নয়।

আরও এক নবজাতকের সন্ধান পাওয়া যায় তার দেওয়া তথ্যে।

২০০৬ সালে এ ঘটনায় মানব পাচার প্রতিরোধ এবং দমন আইনে মামলা করা হয়।

এ মামলার তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, শিশু দুইটিকে ঝর্ণা এবং মানিক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে চুরি করেন।

দারোয়ান মতিন এবং আয়া শিলা তাদের সহায়তা করেন। মামলার বিচার চলাকালে ট্রাইব্যুনাল বিভিন্ন সময়ে ৯ জনের সাক্ষ্য নেন।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.