পাঠাও চালাতে গিয়ে ছাত্র খুন,মোটর সাইকেল ছিনতাই।

861

কালের সমাচার ডেস্ক।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইসমাইল হোসেন জিসান (২৪) ১২দিন নিখোঁজের পর গাজীপুরে সেপটিক ট্যাংক থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

তার লাশ ২৩ মে, বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের গাছা ইউনিয়নের কামারজুরি এলাকার মধ্যপাড়ার একটি বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়।

হাসিবুল ইসলাম নামে এক যুবককে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করা হয়েছে।

রাজধানীর শ্যামলীর ২নম্বর রোডে নিহত ইসমাইল বন্ধুর সঙ্গে ভাড়া থাকতেন।

গাজীপুর জেলার গাছা থানার কাথোরা গ্রামের সাব্বির হোসেন শহীদের ছেলে তিনি।

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসমাইল সিভিল বিভাগের ছাত্র ছিলেন। ইসমাইল পড়াশোনার ফাঁকে রাইড শেয়ারিং সার্ভিস পাঠাও চালাতেন।

শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসেন জানান,

গত ১২ মে ইউনিভার্সিটির ছাত্র ইসমাইল হোসেন জিসান ঢাকার শেরেবাংলা নগর থেকে নিখোঁজ হয়। তিনি পাঠাও মোটসাইকেল চালক ছিলেন।

ওই দিন সকালে জিসানের পাঠাও মোটরসাইকেল ভাড়া করে এক যাত্রী গাজীপুরের গাছা থানা এলাকায় যান।

এর পর থেকে আর কোনো খোঁজ ছিল না। ইসমাইলের সন্ধান না তার বাবা সাব্বির হোসেন পেয়ে রাতে গাছা থানায় একটি জিডি করেন।

এর একদিন পর তিনি ছেলের কোনো খোঁজ না পাওয়ায় শেরেবাংলা থানায় জিডি করেন। এর পরই পুলিশ অভিযানে নামে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের গাছা থানাধীন কামারজুরি এলাকায় ঘাতকরা অবস্থা করছেন,

এমন তথ্যে গাছা ও শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ বুধবার রাতে সেখানে অভিযান চালায়।

অভিযানে ওই এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় হাসিবুরকে।

কামারজুরি বাজার এলাকায় হাসিবুর খাবার হোটেলের ব্যবসা করেন এবং ভাড়া থাকেন ওই এলাকার জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তির বাসায়।

সেখান থেকে জিসানের মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে হাসিবুর জিসানকে হত্যার কথা স্বীকার করেন

এবং জানান তার মৃতদেহ তার বাড়ির সেপটিক ট্যাংকে ফেলা হয়েছে।

শেরেবাংলা নগর থানা ওসি (অপারেশন) আহাদ আলী বলেন,

“বৃহস্পতিবার ওই বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে জিসানের লাশ উদ্ধার করা হয়। আটক হাসিবুরকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

এ ঘটনায় অনেকে জড়িত থাকতে পারে এবং আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।”

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.