মামিকে হত্যা অতঃপর আত্মহত্যা!

53

কালের সমাচার ডেস্ক।

বগুড়ার শিবগঞ্জে ভাগ্নে মামিকে হত্যার পর আত্মহত্যা করেছে।

প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে অনৈতিক সম্পর্কে রাজি না হওয়ায় মামিকে হত্যা করা হয়।

মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের ভাগকোলা গ্রামে।

ভাগকোলা গ্রামের দিনমজুর সাইদুর রহমানের স্ত্রী নিহত আলেয়া বেগম (৩৫)।

পার্শ্ববর্তী টেপাগাড়ী গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে আপেল (২০)।

মঙ্গলবার সকালে বাড়ির লোকজন কাজে যাওয়ার পর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে টিউবওয়েল পাড়ে মামি আলেয়ার রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়।

এরপর পরিবারের লোকজন আপেলকে বাড়িতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে।

একপর্যায়ে স্থানীয়রা বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রের একটি কক্ষে ভাগ্নে আপেলের রক্তাক্ত লাশ পায়।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

মোকামতলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য শহিদুল ইসলাম জানান, আপেল পেশায় কাঠমিস্ত্রি।

আপেল ছোটবেলা থেকে নানা তোজাম্মেল হোসেনের বাড়িতে বসবাস করে।

দীর্ঘদিন ধরে আপেল মামা সাইদুর রহমানের দ্বিতীয় স্ত্রী আলেয়ার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল।

আপেল তিন মাস আগে তার মামি আলেয়ার ঘরে প্রবেশ করে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করে।

আলেয়া ঘটনাটি তার স্বামীকে জানালে গ্রামে এ নিয়ে সালিস বৈঠক হয়।

আপেলকে এ বিষয়ে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

নিষেধাজ্ঞার পরও কিছুদিন ধরে আপেল মামি আলেয়াকে অনৈতিক কার্যকলাপের প্রস্তাব দিচ্ছিল।

মোকামতলা পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ সনাতন চন্দ্র সরকার জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে আপেল মামি আলেয়ার ঘাড়ে কাঠের কাজে ব্যবহৃত ধারালো বাটাল দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে।

এরপর নিজের পেটে ওই বাটাল দিয়ে আঘাত করে আত্মহত্যা করে।

আপেলের লাশের পাসে রক্তমাখা বাটাল উদ্ধার করা হয়েছে।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.