হরিণের ৫ মণ মাংস, মাথা ও চামড়া উদ্ধার।

44

কালের সমাচার ডেস্ক।

বরগুনার পাথরঘাটায় বন বিভাগ হরিণের ৫ মণ মাংস, ২টি মাথা ও ২টি চামড়া জব্দ করেছে।

সাগরতীরবর্তী চরলাঠিমারা এলাকার বনফুল আবাসন এলাকায় একটি ইঞ্জিনচালিত বোটে এগুলো পরিত্যাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায়।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছে কোস্ট গার্ড ও পুলিশ।

বন বিভাগের পাথরঘাটা রেজ্ঞের আওতায় হরিণঘাটা বন অফিসের বিট কর্মকর্তা মো. বদিউজ্জামান খান সোহাগ জানান, বনফুল আবাসন এলাকার একটি খালে শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় ইঞ্জিনচালিত একটি বোটে কয়েকজন মানুষ দেখে স্থানীয় বাসিন্দা হোসেন ঘরামির ছেলে মো. হানিফা ‘ওখানে কারা’ জিজ্ঞেস করলে তারা দ্রুত পালিয়ে যায়।

বন বিভাগকে খবর দিলে, ভোররাতে হরিণের মাংস বহনকারী ইঞ্জিন বোট, হরিণের ৫ মণ মাংস, ২টি মাথা ও ২টি চামড়া ও ২ বস্তা হরিণ ধরার ফাঁদ বন বিভাগ জব্দ করে পাথরঘাটা রেজ্ঞ অফিসে নিয়ে যায়।

পদ্মা গ্রামের আবদুর রহমান সিকদার জব্দকৃত বোটের মালিক।

আবাসনের অধিবাসীরা জানান তার ছেলে ইলিয়াস স্থানীয় কোস্ট গার্ডের মাঝি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসীর দাবি, হরিণশিকারী আবদুর রহমান সিকদার, মাঝি ইলিয়াসকে তার অপকর্মের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে।

কোস্ট গার্ড পাথরঘাটা স্টেশনের কমান্ডার সাব-লেফটেন্যান্ট মো. জহিরুল ইসলাম মন্তব্য করনে, ‘আমাদের বোটের মাঝি ইলিয়াসের বাবা হরিণশিকারী হলেও ইলিয়াস ভালো মানুষ’।

পাথরঘাটা রেজ্ঞ কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, বন আইনে মামলা করা হবে।

তিনি আরো জানান, বস্তার মধ্যে হরিণের মাংস, ২টি মাথা ও ২টি চামড়ার সাথে হরিণের ৩০টি রান পাওয়া গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে জবাই করা হয়েছিল ৮টি হরিণ।

আদালতের নির্দেশ পেলে মাংস মাটি চাপা দেওয়া হবে এবং চামড়া আলামত হিসেবে সংরক্ষণ করা হবে।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পাথরঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মনিররুজ্জামান ও কোস্ট গার্ডের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, তারাও ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন।

Comments are closed, but trackbacks and pingbacks are open.