হায়দার তৈরি করেছেন ৬৭ কেজি ওজনের সাড়ে চার হাজার ফুট দীর্ঘ তসবি।

799

মাহিন,কালের সমাচার ডেস্ক।

সাড়ে চার হাজার ফুট দীর্ঘ আর ৬৭ কেজি ওজনের একটি তসবি তৈরি করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার আবদুল্লাহ আল হায়দার নামের এক তরুণ। দুই মাসে তসবিটি তৈরী করেছেন সাদা, কালো, সবুজ ও সোনালী রঙের ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ পুঁতির মাধ্যমে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার জালশুকা গ্রামের, শরীফ আবদুল্লাহ হারুন ও খোশ নাহার বেগমের ছেলে আবদুল্লাহ আল হায়দার। হায়দার রাজধানী ঢাকাস্থ উত্তরার ‘দারুল এহসান কলেজ’ থেকে হিসাববিঙ্গানে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পাশ করেছেন।
পড়াশোনা শেষ করে বাড়িতেই অলস সময় কাটাচ্ছিল হায়দার। তখন তার ইচ্ছা হয় ব্যতিক্রম কিছু করে জাগিয়ে তুলবে ধর্মীয় মূল্যবোধ। সে লক্ষ্যে বিশেষ কিছু পরিকল্পনা করে। তখন মাথায় আসে তসবি তৈরি করে বিশ্ব রেকর্ড গড়ার।

তার এ ব্যাতিক্রমধর্মি কাজে সাহায্য করেছে অনেকে। পুঁতি দিয়ে তসবি তৈরি করেছে হায়দার। এ কাজে বন্ধু আরিফুল ইসলাম, মা খোশ নাহার বেগম ও বড় ভাই আল মামুন, বোন লাইলি বেগম সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছেন।

হায়দারের ফ্রান্সপ্রবাসী দুই বড় ভাই আবদুল্লাহ আল হাসান ও আবদুল্লাহ আল মনসুর সহযোগিতা করেছেন অর্থ দিয়ে। তসবিটি তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে দেড় লাখ টাকা এবং প্রায় প্রায় দুই মাস সময়।

গত ২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় তসবিটি তৈরির কাজ। প্রতিদিন পুঁতি গাঁথতেন গড়ে ৮ থেকে ১০ ঘন্টা সময়। এক হাজার পুঁতি গাঁথতে সময় লাগত এক ঘণ্টা।

হায়দার ইন্টারনেট ঘেঁটে জানতে পারেন পাকিস্তানে ৬০ কেজি ওজনের একটি তসবি রয়েছে। সেই হিসাবে তাঁর তৈরি তসবিটি। দৈর্ঘ্যে ও ওজনে বিশ্বের সর্ববৃহৎ তসবি। হায়দার ১২ মার্চ গিনেস বক্স অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে আবেদন করেছেন তসবিটির জন্য।

Leave A Reply

Your email address will not be published.